আজ বাংলাদেশের ক্রিকেটে মন খারাপের এক দিন........

Image
                                          আজ বাংলাদেশের ক্রিকেটে মন খারাপের এক দিন..... প্রসঙ্গটা ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফিজয়ী বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক, সাবেক নির্বাচক, সাবেক বিসিবি পরিচালক—বাংলাদেশ ক্রিকেটে তাঁর পরিচয়ের অভাব নেই। এর বাইরেও একটা পরিচয় কাল তিনি নিজেই দিলেন বেশ গর্ব নিয়ে, ‘বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপে প্রথম রানটা কিন্তু আমিই নিয়েছিলাম!’ ১৯৯৯ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলেছিল বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের তৃতীয় বলে আউট হয়ে গিয়েছিলেন ওপেনার শাহরিয়ার হোসেন। ৩ নম্বরে নামা আকরাম প্রথম রানটা নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই গ্যালারি থেকে ভেসে আসে চিৎকার। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম রান বলে কথা, উদ্‌যাপন করতে হবে না! পরের ২৭ বছরে বাংলাদেশের ক্রিকেটে অনেক কিছু ঘটে গেছে। ওয়ানডের যুগ প্রায় পেরিয়ে আসা ক্রিকেটে এখন টি–টুয়েন্টি সংস্করণে দুই বছর পরপরই বিশ্বকাপ হয়। ওয়ানডে আর টি–টুয়েন্টি মিলিয়ে মাঝের ১৭ বিশ্বকাপের সব কটিতেই ছিল বাংলাদেশ। এবার নেই, সেটাও ক্রিকেটের বাইরের এক কারণে। ...

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ধারাভাষ্য হিসেবে আতার আলী এবং আম্পা হিসেবে সৈকত অংশ নিচ্ছে



আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ধারাভাষ্য হিসেবে আতার আলী এবং আম্পা হিসেবে সৈকত অংশ নিচ্ছে।
সৈকত — আম্পায়ারিং (উম্পায়ার)হ্যাঁ — আসন্ন ২০২৬ আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (যা ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হবে):📌 আতহার আলী খান ধারাভাষ্য (কমেন্টেটর) প্যানেলে নাম ঘোষণা হয়েছে এবং তিনি বিশ্বকাপের একাধিক ম্যাচে ধারাভাষ্য দেবেন। �📌 ১শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত (সাধারণভাবে “সৈকত”) আম্পায়ার (match official) হিসেবে আইসিসির অফিশিয়াল উম্পায়ার (umpire) প্যানেলে আছেন — তিনি এবং আরেকজন বাংলাদেশি উম্পায়ার গাজী সোহেল উভয়েই বিশ্বকাপের আম্পায়ারিং দলে রয়েছেন। এখন লম্বা স্টোরি/সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা দিচ্ছি — যাতে আপনি শুধু “হ্যাঁ/না” নয়, ওয়ার্তাটার পটভূমিও বুঝতে পারেন 👇🏆 ১. বিশ্বকাপের সারসংক্ষেপআইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হচ্ছে ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ভারতে ও শ্রীলঙ্কায়, মোট ২০টি দল অংশ নিচ্ছে এবং ফাইনাল খেলা হবে ৮ মার্চ। �
বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপে খেলছে না, কারণ বিসিবি নিরাপত্তা ও অন্যান্য কারণে ভারত ভ্রমণ করতে রাজি হয়নি এবং শেষ পর্যন্ত তারা টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়েছে, তাদের স্থানে স্কটল্যান্ড এসেছে। �📍 শরফুদ্দoula ইবনে শহীদ “সৈকত” — তিনি বাংলাদেশি ক্রিকেটের এক অভিজ্ঞ উম্পায়ার এবং আইসিসির ম্যাচ অফিসিয়াল প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত।আইসিসি ২৪ জন উম্পায়ার ও ৬ জন ম্যাচ রেফারি নামিয়েছে; সৈকত তাদের মধ্যে একজন। �গাজী সোহেলও বাংলাদেশ থেকেই আরেকজন উম্পায়ার হিসেবে প্যানেলে আছেন। �সৈকত আইসিসির এলিট প্যানেলের সদস্য (বিশ্বসেরা মানদণ্ডের উম্পায়ার) এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বহু ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। �
এটা আলাদা ভাবে উল্লেখযোগ্য যে বাংলাদেশ দল না খেললেও তার আম্পায়ার বিশ্বকাপে কাজ করছেন — এই বিষয়টি বাংলাদেশ ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির একটা বড় দিক। �📌 সারসংক্ষেপ✔️ হ্যাঁ, আতহার আলী ধারাভাষ্যকার হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। � ✔️ হ্যাঁ, সৈকত (শরফুদ্দoula ইবনে শহীদ) আম্পায়ার/উম্পায়ার হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। �
সুতরাং, যদিও বাংলাদেশ দল মাঠে নেই, তবুও আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিরা কাজ করছেন — এক কলরবধরণের ভাবে বিশ্বকাপকে আরও “বাংলাদেশি স্পর্শ” দিচ্ছেন। �


২. আতহার আলী খান — ধারাভাষ্য (কমেন্টেটর)📍 আতহার আলী খান — বাংলাদেশি সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার — আইসিসি-র অফিসিয়াল কমেন্টেটর প্যানেলে নির্বাচিত হয়েছেন।তিনি বিশ্বকাপের জন্য প্রায় ৪০ জনের ধারাভাষ্য দলাবলে থাকবেন। �
রবি শাস্ত্রি, নাসের হুসাইন, ডাইনেশ কার্থিক, অন্যতম আন্তর্জাতিক কমেন্টেটরদের সঙ্গে তিনি বিশ্বের অন্যতম বড় বাইশ গজের অনুষ্ঠানগুলোতে কণ্ঠ দেবেন। �iccএর মাধ্যমে বাংলাদেশ, যদিও দল হিসেবে অংশ নিচ্ছে না, তবে তবুও আন্তর্জাতিক প্রচারে উপস্থিতি রাখছে একটি অভিজ্ঞ ধারাভাষ্যকারের মাধ্যমে। এই অংশটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সাধারণত এমন বিশাল অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কণ্ঠদান অনেক ক্রিকেটভক্তের কাছে গর্বের বিষয়। �

Comments

Popular posts from this blog

আজ বাংলাদেশের ক্রিকেটে মন খারাপের এক দিন........

পাকিস্তান ভারতের সাথে বিশ্বাকাপ ম্যাচ বয়কট, বিপাকে ভারত।